লাইভ টিভি
ক্যাম্পাস

জুলাই নিয়ে লেখা বইয়ে সাদিক কায়েম কে বাদ দেওয়ার অভিযোগ

জুলাই নিয়ে লেখা বইয়ে সাদিক কায়েম কে বাদ দেওয়ার অভিযোগ
জুলাই নিয়ে লেখা বইয়ে সাদিক কায়েম কে বাদ দেওয়ার অভিযোগ

জুলাই গণভুথান, একটি ঐতিহাসিক আন্দোলন যা গণমানুষের বেঁচে থাকার আকাঙ্ক্ষা এবং নিজেদের অধিকার পুনরুদ্ধারের প্রতি তাদের অটল সংকল্পকে চিহ্নিত করে। এই আন্দোলনের পেছনে বহু বীর পুরুষ ও নারীর অবদান থাকলেও সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন। তিনি কেবল এই আন্দোলনের সংগঠক হিসেবেই নয়, বরং এর ইতিহাসকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে "জুলাই, মাতৃভূমি অথবা মৃত্যু" নামে একটি বই প্রকাশের মাধ্যমে চিরস্থায়ী করে তোলেন। এই বইটিতে জুলাই গণভুথানের ঘটনাবলী, সংগ্রামী মানুষদের গল্প এবং তাদের ত্যাগের কথা বিশদভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। তবে বইটি প্রকাশের পর থেকে এটি নিয়ে একটি বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে বইয়ে ব্যবহৃত একটি ছবিতে থেকে সমন্বয়ক সাদিক কায়েমকে ক্রপ করে বাদ দেওয়া হয়েছে, যা কেবল একজন ব্যক্তির উপেক্ষা নয়, বরং ইতিহাস বিকৃতির একটি উদাহরণ হতে পারে বলে সমালোচনা করা হয়। এই প্রসঙ্গে অভিযুক্ত ছবি দুটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, এগুলো ভিন্ন সময়ে তোলা হয়েছে। প্রথম ছবিটি তে সাদিক কায়েম কে স্পষ্টভাবে উপস্থিত দেখা যায়। যা, দ্বিতীয়টি তে সুস্পষ্ট নয়। একই আন্দোলনের দুটি ছবি নির্বাচন করার সময় কিছু মানুষের মধ্যে সন্দেহ দানা বাঁধে, কেন শুধুমাত্র সাদিক কায়েমকে বাদ দেওয়া হয়েছে এমন এক ছবি নির্বাচন করা হলো। তবে এমন বিতর্কের মধ্যে বইয়ের সমর্থকরা দাবি করেন যে এটি একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভুল বোঝাবুঝি। তাদের মতে, লেখকের মূল উদ্দেশ্য ছিল আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়কে আলাদাভাবে চিত্রিত করা এবং এটি করার সময় কোনো ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য ছিল না। তবুও কিছু সমালোচক বলেন যে ইতিহাস লেখার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ভুল ব্যাখ্যা এবং পক্ষপাতদুষ্টতা কেবল ব্যক্তিগত ক্ষোভ নয়, বৃহত্তর পর্যায়ে ইতিহাসকে বিকৃত করতে পারে।

NewstimesNewstimes
জুলাই নিয়ে লেখা বইয়ে সাদিক কায়েম কে বাদ দেওয়ার অভিযোগ

নিউজ টাইমস ডেস্ক

জুলাই গণভুথান, একটি ঐতিহাসিক আন্দোলন যা গণমানুষের বেঁচে থাকার আকাঙ্ক্ষা এবং নিজেদের অধিকার পুনরুদ্ধারের প্রতি তাদের অটল সংকল্পকে চিহ্নিত করে। এই আন্দোলনের পেছনে বহু বীর পুরুষ ও নারীর অবদান থাকলেও সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন। তিনি কেবল এই আন্দোলনের সংগঠক হিসেবেই নয়, বরং এর ইতিহাসকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে "জুলাই, মাতৃভূমি অথবা মৃত্যু" নামে একটি বই প্রকাশের মাধ্যমে চিরস্থায়ী করে তোলেন। এই বইটিতে জুলাই গণভুথানের ঘটনাবলী, সংগ্রামী মানুষদের গল্প এবং তাদের ত্যাগের কথা বিশদভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। তবে বইটি প্রকাশের পর থেকে এটি নিয়ে একটি বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে বইয়ে ব্যবহৃত একটি ছবিতে থেকে সমন্বয়ক সাদিক কায়েমকে ক্রপ করে বাদ দেওয়া হয়েছে, যা কেবল একজন ব্যক্তির উপেক্ষা নয়, বরং ইতিহাস বিকৃতির একটি উদাহরণ হতে পারে বলে সমালোচনা করা হয়। এই প্রসঙ্গে অভিযুক্ত ছবি দুটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, এগুলো ভিন্ন সময়ে তোলা হয়েছে। প্রথম ছবিটি তে সাদিক কায়েম কে স্পষ্টভাবে উপস্থিত দেখা যায়। যা, দ্বিতীয়টি তে সুস্পষ্ট নয়। একই আন্দোলনের দুটি ছবি নির্বাচন করার সময় কিছু মানুষের মধ্যে সন্দেহ দানা বাঁধে, কেন শুধুমাত্র সাদিক কায়েমকে বাদ দেওয়া হয়েছে এমন এক ছবি নির্বাচন করা হলো। তবে এমন বিতর্কের মধ্যে বইয়ের সমর্থকরা দাবি করেন যে এটি একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভুল বোঝাবুঝি। তাদের মতে, লেখকের মূল উদ্দেশ্য ছিল আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়কে আলাদাভাবে চিত্রিত করা এবং এটি করার সময় কোনো ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য ছিল না। তবুও কিছু সমালোচক বলেন যে ইতিহাস লেখার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ভুল ব্যাখ্যা এবং পক্ষপাতদুষ্টতা কেবল ব্যক্তিগত ক্ষোভ নয়, বৃহত্তর পর্যায়ে ইতিহাসকে বিকৃত করতে পারে।

নিবন্ধের রেফারেন্স লিংক
নিবন্ধের রেফারেন্স লিংক/article/2CB8JHp77T3J