লাইভ টিভি
সারাদেশ

ঈদকে সামনে রেখে লোহার টুং টাং শব্দে মুখরিত বরগুনার কামারপট্টি গুলো

ঈদকে সামনে রেখে লোহার টুং টাং শব্দে মুখরিত বরগুনার কামারপট্টি গুলো
ঈদকে সামনে রেখে লোহার টুং টাং শব্দে মুখরিত বরগুনার কামারপট্টি গুলো

মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্যতম দ্বিতীয় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে বরগুনা সহ বিভিন্ন উপজেলার কামারপট্টিগুলোতে এখন দিনরাত চলছে লোহার টুং টাং শব্দ। কোরবানির পশু প্রস্তুতের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম—দা, বটি, চাপাতি ও ছুরি তৈরি ও শান দেওয়ার কাজে সকাল থে...

মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্যতম দ্বিতীয় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে বরগুনা সহ বিভিন্ন উপজেলার কামারপট্টিগুলোতে এখন দিনরাত চলছে লোহার টুং টাং শব্দ। কোরবানির পশু প্রস্তুতের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম-দা, বটি, চাপাতি ও ছুরি তৈরি ও শান দেওয়ার কাজে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তুমুল ব্যস্ত সময় পার করছেন কামাররা। জেলার বিভিন্ন বাজারের কামারপাড়া গুলো ঘুরে দেখা যায়, প্রত্যন্ত জনপদের কামাররা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। কামারদের হাপর টানার শোঁ শোঁ শব্দ ও লাল আগুনের লোহায় কামারদের পিটুনিতে মুখর হয়ে উঠেছে কামারদের দোকানগুলো। টুংটাং শব্দটি এখন তাদের জন্য এক প্রকার ছন্দ। যদিও বর্তমানে তেমন একটা বিক্রিবাট্টা নেই, তাই তাদের মুখে নেই কোন উচ্ছাস। তারপরও আসন্ন কোরবানির ঈদের কথা মাথায় রেখে নতুন আশায় বুক বেঁধে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামার শিল্পীরা। হাতুড়ি আর লোহার টুং-টাং শব্দে মুখরিত কামার পট্টিগুলো। ঈদের দিন ভোরবেলা পর্যন্ত চলবে এমন কর্মব্যস্ততা। তবে কয়লা, লোহাসহ সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় আগের মতো লাভ হয় না কিন্তু শতবছরের পূর্ব পুরুষের ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে তারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও জানান কামার শিল্পীরা। বর্তমানে আধুনিক যন্ত্রাংশের প্রভাবে কামার শিল্পের দুর্দিন চললেও ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে জমে উঠে তাদের এই হস্তশিল্প। বরগুনার আমতলীর তালুকদার বাজারের কামার শিল্পী কালিদাস কর্মকার জানান, এক সময় তাদের বেশ কদর ছিল, বর্তমানে তা আর নেই। তাই সারা বছর তেমন কোনো কাজ থাকে না।ধান কাটার মৌসুমে ও কোরবানি উপলক্ষে তাদের কাজের চাহিদা কিছুটা বেড়ে যায়। এ সময় তাদের দৈনিক ১০০০-১৫০০ টাকা পর্যন্ত আয় হয়। ব্যয় বাদে তাদের হাতে থাকে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। বর্তমানে লোহা ও কয়লার দাম অনেক বেড়েছে কিন্তু সে তুলনায় কামার শিল্পের উৎপাদিত পণ্যের দাম বাড়েনি। তাদের আশা, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এ শিল্প আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারবে। ক্রেতা সোহাগ তালুকদার,রিয়াজ খাঁন,সোহেল হাওলাদার,নিজাম মল্লিক সহ কয়েকজন জানান, গত বছরের তুলনায় এবার লোহার দাম অনেক বেশি। তাই লোহার তৈরি জিনিসের দামও অনেক বেড়েছে। দা ২৫০-৩৫০ টাকা ছুরি ১৫০-৪০০ টাকা, বটি ৩০০-৫০০ টাকা, ১০০০-১৫০০ টাকা করে বেচাকেনা হচ্ছে। মহিবউল্লাহ কিরন,বরগুনা

NewstimesNewstimes
ঈদকে সামনে রেখে লোহার টুং টাং শব্দে মুখরিত বরগুনার কামারপট্টি গুলো

মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্যতম দ্বিতীয় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে বরগুনা সহ বিভিন্ন উপজেলার কামারপট্টিগুলোতে এখন দিনরাত চলছে লোহার টুং টাং শব্দ। কোরবানির পশু প্রস্তুতের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম—দা, বটি, চাপাতি ও ছুরি তৈরি ও শান দেওয়ার কাজে সকাল থে...

নিউজ টাইমস ডেস্ক

মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্যতম দ্বিতীয় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে বরগুনা সহ বিভিন্ন উপজেলার কামারপট্টিগুলোতে এখন দিনরাত চলছে লোহার টুং টাং শব্দ। কোরবানির পশু প্রস্তুতের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম-দা, বটি, চাপাতি ও ছুরি তৈরি ও শান দেওয়ার কাজে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তুমুল ব্যস্ত সময় পার করছেন কামাররা। জেলার বিভিন্ন বাজারের কামারপাড়া গুলো ঘুরে দেখা যায়, প্রত্যন্ত জনপদের কামাররা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। কামারদের হাপর টানার শোঁ শোঁ শব্দ ও লাল আগুনের লোহায় কামারদের পিটুনিতে মুখর হয়ে উঠেছে কামারদের দোকানগুলো। টুংটাং শব্দটি এখন তাদের জন্য এক প্রকার ছন্দ। যদিও বর্তমানে তেমন একটা বিক্রিবাট্টা নেই, তাই তাদের মুখে নেই কোন উচ্ছাস। তারপরও আসন্ন কোরবানির ঈদের কথা মাথায় রেখে নতুন আশায় বুক বেঁধে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামার শিল্পীরা। হাতুড়ি আর লোহার টুং-টাং শব্দে মুখরিত কামার পট্টিগুলো। ঈদের দিন ভোরবেলা পর্যন্ত চলবে এমন কর্মব্যস্ততা। তবে কয়লা, লোহাসহ সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় আগের মতো লাভ হয় না কিন্তু শতবছরের পূর্ব পুরুষের ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে তারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও জানান কামার শিল্পীরা। বর্তমানে আধুনিক যন্ত্রাংশের প্রভাবে কামার শিল্পের দুর্দিন চললেও ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে জমে উঠে তাদের এই হস্তশিল্প। বরগুনার আমতলীর তালুকদার বাজারের কামার শিল্পী কালিদাস কর্মকার জানান, এক সময় তাদের বেশ কদর ছিল, বর্তমানে তা আর নেই। তাই সারা বছর তেমন কোনো কাজ থাকে না।ধান কাটার মৌসুমে ও কোরবানি উপলক্ষে তাদের কাজের চাহিদা কিছুটা বেড়ে যায়। এ সময় তাদের দৈনিক ১০০০-১৫০০ টাকা পর্যন্ত আয় হয়। ব্যয় বাদে তাদের হাতে থাকে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। বর্তমানে লোহা ও কয়লার দাম অনেক বেড়েছে কিন্তু সে তুলনায় কামার শিল্পের উৎপাদিত পণ্যের দাম বাড়েনি। তাদের আশা, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এ শিল্প আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারবে। ক্রেতা সোহাগ তালুকদার,রিয়াজ খাঁন,সোহেল হাওলাদার,নিজাম মল্লিক সহ কয়েকজন জানান, গত বছরের তুলনায় এবার লোহার দাম অনেক বেশি। তাই লোহার তৈরি জিনিসের দামও অনেক বেড়েছে। দা ২৫০-৩৫০ টাকা ছুরি ১৫০-৪০০ টাকা, বটি ৩০০-৫০০ টাকা, ১০০০-১৫০০ টাকা করে বেচাকেনা হচ্ছে। মহিবউল্লাহ কিরন,বরগুনা

নিবন্ধের রেফারেন্স লিংক
নিবন্ধের রেফারেন্স লিংক/article/C36fh9wZs6zy