সাবেক প্রধানমন্ত্রী মওদুদ আহমদসহ ৪ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে মরণোত্তর সম্মাননা স্মারক প্রদান।
দেশের প্রবীণ আইনজীবী, প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদসহ চার বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করেছে ঢাকাস্থ কবিরহাট উপজেলা ফোরাম। একই সাথে শিক্ষা, সমাজসেবা, স্বাস্থ্য ও অর্থনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বি...
দেশের প্রবীণ আইনজীবী, প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদসহ চার বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করেছে ঢাকাস্থ কবিরহাট উপজেলা ফোরাম। একই সাথে শিক্ষা, সমাজসেবা, স্বাস্থ্য ও অর্থনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় কবিরহাটের আরও একাধিক কৃতী সন্তানকে গুণীজন সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি ভবনের মুক্তিযোদ্ধা মিলনায়তনে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। ঢাকাস্থ কবিরহাট উপজেলা ফোরামের সভাপতি মো. ইলিয়াসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইবনে সিনা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু নাসের মোহাম্মদ আব্দুজ্জাহের। যাঁরা পেলেন মরণোত্তর সম্মাননা অনুষ্ঠানে নোয়াখালী-৫ আসনের পাঁচবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য, সাবেক উপ-রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী মরহুম ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের পাশাপাশি আরও তিন গুণীকে মরণোত্তর সম্মাননা জানানো হয়। তাঁরা হলেন- ১. বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ডা. আবু আহমেদ চৌধুরী ২. কবিরহাট সরকারি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার দেলোয়ার হোসেন ৩. বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (বিপিএসসি) সাবেক সচিব মোহাম্মদ নুর উদ্দিন । সম্মাননা পেলেন আরও ৯ কৃতী ব্যক্তিত্ব সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ কবিরহাট উপজেলার ৯ জন জীবিত কৃতী ব্যক্তিত্বের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। সম্মাননা প্রাপ্তরা হলেন- সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক, সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) রাজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, অধ্যাপক আবু নাসের মোহাম্মদ আব্দুজ্জাহের, লুৎফর রহমান চৌধুরী, এ টি এম ফজলুল হক, ডা. শাহাবুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চৌধুরী গোলাম মাওলা, মাওলানা আবদুল মোনায়েম এবং মাহবুবুল হক। গুণীজনদের স্মরণ করা নৈতিক দায়িত্ব: প্রধান অতিথি প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক আবু নাসের মোহাম্মদ আব্দুজ্জাহের বলেন, "নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার অসংখ্য কৃতী সন্তান দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনন্য সাধারণ অবদান রেখে চলেছেন। দল-মত নির্বিশেষে যারা প্রয়াত হয়েছেন এবং যারা এখনো সমাজে আলো ছড়াচ্ছেন, তাদের অবদান যথাযথ সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করা আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব।" এই ধরনের অনুপ্রেরণামূলক উদ্যোগ আগামীতেও অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠানে নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ ঢাকাস্থ কবিরহাটের বিশিষ্ট নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা ফোরামের এই মহৎ উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, গুণীজনদের এই সম্মাননা নতুন প্রজন্মকে দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করতে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করবে।
