লাইভ টিভি
সারাদেশ

গাইবান্ধায় প্রতিপক্ষের হামলায় শিবির নেতা নিহত

গাইবান্ধায় প্রতিপক্ষের হামলায় শিবির নেতা নিহত
গাইবান্ধায় প্রতিপক্ষের হামলায় শিবির নেতা নিহত

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি পদের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাইফুল ইসলাম বারি (২৪) নামে এক ছাত্রশিবির নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে ইউনিয়নের যুবদল নেতারা। রোববার দুপুরে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে যুব...

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি পদের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাইফুল ইসলাম বারি (২৪) নামে এক ছাত্রশিবির নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে ইউনিয়নের যুবদল নেতারা। রোববার দুপুরে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে যুবদল নেতা মুকুল, পলাশ ও আশরাফ এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটায়। নিহত সাইফুল ইসলাম বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি ও শিমুল তাইড় গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে। নিহত সাইফুল রংপুর ধাপ সাতদরগা কামিল আলিয়া মাদ্রাসার অনার্সের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। এ ঘটনায় সালাউদ্দিন নামের আরও এক কর্মী গুরুতর আহত হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানায়, রোববার দুপুরে বোনারপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ চৌরাস্তা মোড়ে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুল্লাহর সাথে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচন নিয়ে বাটি গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে মুকুলের কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইফুল ইসলাম ও সালাউদ্দিন এই ঘটনার প্রতিবাদ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মুকুল, তার সহোদর ভাই পলাশ ও সহযোগী আশরাফ ধারালো ছুরি দিয়ে সাইফুল ও সালাউদ্দিনকে উপুর্যপুরি ছুরিকাঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে তাদের উদ্ধার করে প্রথমে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সাইফুল ইসলামকে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে গুরুতর আহত সালাউদ্দিনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এব্যাপারে জামায়াতের জেলা আমীর আব্দুল করিম এমপি, জেলা নায়েবে আমীর বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ এমপি, ভারপ্রাপ্ত জেলা সেক্রেটারী সৈয়দ রোকনুজ্জামান, শিবিরের জেলা সভাপতি ইউসুফ আল কার্যাভী, সেক্রেটারী ফাহিম ইসলাম, সাঘাটা উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা ইব্রাহিম আলীসহ অনেকেই পৃথক পৃথক বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ এই হত্যাকাণ্ডের সাথে যারা জড়িত তাদেরকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান। এদিকে পুলিশ সুপার জসিম উদ্দীন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেন। এব্যাপারে সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অপরাধীদের আটকে পুলিশি অভিযান চলছে। অপরদিকে ইসলামী জেলা ছাত্রশিবির ও সাঘাটা উপজেলা ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে পৃথক পৃথক বিক্ষোভ মিছিল বের করে।

NewstimesNewstimes
গাইবান্ধায় প্রতিপক্ষের হামলায় শিবির নেতা নিহত

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি পদের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাইফুল ইসলাম বারি (২৪) নামে এক ছাত্রশিবির নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে ইউনিয়নের যুবদল নেতারা। রোববার দুপুরে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে যুব...

নিউজ টাইমস ডেস্ক

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি পদের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাইফুল ইসলাম বারি (২৪) নামে এক ছাত্রশিবির নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে ইউনিয়নের যুবদল নেতারা। রোববার দুপুরে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে যুবদল নেতা মুকুল, পলাশ ও আশরাফ এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটায়। নিহত সাইফুল ইসলাম বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি ও শিমুল তাইড় গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে। নিহত সাইফুল রংপুর ধাপ সাতদরগা কামিল আলিয়া মাদ্রাসার অনার্সের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। এ ঘটনায় সালাউদ্দিন নামের আরও এক কর্মী গুরুতর আহত হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানায়, রোববার দুপুরে বোনারপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ চৌরাস্তা মোড়ে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুল্লাহর সাথে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচন নিয়ে বাটি গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে মুকুলের কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইফুল ইসলাম ও সালাউদ্দিন এই ঘটনার প্রতিবাদ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মুকুল, তার সহোদর ভাই পলাশ ও সহযোগী আশরাফ ধারালো ছুরি দিয়ে সাইফুল ও সালাউদ্দিনকে উপুর্যপুরি ছুরিকাঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে তাদের উদ্ধার করে প্রথমে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সাইফুল ইসলামকে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে গুরুতর আহত সালাউদ্দিনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এব্যাপারে জামায়াতের জেলা আমীর আব্দুল করিম এমপি, জেলা নায়েবে আমীর বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ এমপি, ভারপ্রাপ্ত জেলা সেক্রেটারী সৈয়দ রোকনুজ্জামান, শিবিরের জেলা সভাপতি ইউসুফ আল কার্যাভী, সেক্রেটারী ফাহিম ইসলাম, সাঘাটা উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা ইব্রাহিম আলীসহ অনেকেই পৃথক পৃথক বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ এই হত্যাকাণ্ডের সাথে যারা জড়িত তাদেরকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান। এদিকে পুলিশ সুপার জসিম উদ্দীন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেন। এব্যাপারে সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অপরাধীদের আটকে পুলিশি অভিযান চলছে। অপরদিকে ইসলামী জেলা ছাত্রশিবির ও সাঘাটা উপজেলা ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে পৃথক পৃথক বিক্ষোভ মিছিল বের করে।

নিবন্ধের রেফারেন্স লিংক
নিবন্ধের রেফারেন্স লিংক/article/RfsNh9x2V78j