মেঘনা উপকূলীয় লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলায় চলতি মৌসুমে সরিষার বাম্পার ফলন হয়েছে। এক সময় সয়াবিন ও বাদাম চাষের জন্য এ অঞ্চলের সুনাম থাকলেও বর্তমানে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও উন্নত জাতের বীজের কল্যাণে কৃষকরা ক্রমেই সরিষা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। অনুকূল...
মেঘনা উপকূলীয় লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলায় চলতি মৌসুমে সরিষার বাম্পার ফলন হয়েছে। এক সময় সয়াবিন ও বাদাম চাষের জন্য এ অঞ্চলের সুনাম থাকলেও বর্তমানে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও উন্নত জাতের বীজের কল্যাণে কৃষকরা ক্রমেই সরিষা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। অনুকূল আবহাওয়া ও সঠিক পরিচর্যার কারণে এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। বর্তমানে উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে হলুদ ফুলের সমারোহ চোখে পড়ছে। মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষাণ-কৃষাণীরা। সরিষার এই বাম্পার ফলন একদিকে যেমন কৃষকদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে, অন্যদিকে দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদা পূরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরে রামগতিতে ৪০০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও বাস্তবে আবাদ হয়েছে ৪৩৫ হেক্টর জমিতে। এসব জমি থেকে প্রায় ৫২২ মেট্রিক টন সরিষা উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে। চর আফজল গ্রামের কৃষক আহসান উল্লাহ ও চর লক্ষ্মী গ্রামের কামাল উদ্দিন জানান, সয়াবিন বা বাদামের তুলনায় সরিষা চাষে উৎপাদন খরচ কম। পাশাপাশি বাজারে সরিষার ভালো দাম পাওয়া যায়, তাই কৃষকরা সরিষা চাষে বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান বলেন, “সরকারের কৃষিবান্ধব নীতি এবং মাঠপর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের নিবিড় তদারকির কারণে এবার রামগতিতে সরিষার আবাদে উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে।”
