লাইভ টিভি
সারাদেশ

তৃণমূল রাজনীতি থেকে নেতৃত্বের পথে: বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি প্রার্থী মোঃ সোহাগ সরদার

তৃণমূল রাজনীতি থেকে নেতৃত্বের পথে: বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি প্রার্থী মোঃ সোহাগ সরদার
তৃণমূল রাজনীতি থেকে নেতৃত্বের পথে: বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি প্রার্থী মোঃ সোহাগ সরদার

রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম নেওয়ায় ছোটবেলা থেকেই রাজনীতির প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় মোঃ সোহাগ সরদারের। কৈশোর বয়সেই শহীদ প্রেসিডেন্ট Ziaur Rahman–এর আদর্শ বুকে ধারণ করে ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন তিনি। পারিবারিকভাবেই মানুষের সঙ্গে মিশে বেড়ে ওঠা সোহাগ সরদা...

রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম নেওয়ায় ছোটবেলা থেকেই রাজনীতির প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় মোঃ সোহাগ সরদারের। কৈশোর বয়সেই শহীদ প্রেসিডেন্ট Ziaur Rahman-এর আদর্শ বুকে ধারণ করে ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন তিনি। পারিবারিকভাবেই মানুষের সঙ্গে মিশে বেড়ে ওঠা সোহাগ সরদারের বাবা ছিলেন জনপ্রতিনিধি। ফলে শৈশব থেকেই সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গে পরিচিত হন তিনি। সেই অভিজ্ঞতাই তাকে রাজনীতিতে আরও সম্পৃক্ত করে তোলে বলে জানান স্থানীয়রা। ছাত্ররাজনীতির দীর্ঘ পথচলায় তিনি Bangladesh Jatiotabadi Chhatra Dal-এর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। খুলনা মহানগর ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার পাশাপাশি সরকারি সুন্দরবন আদর্শ কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এছাড়া সাম্প্রতিক জুলাই আন্দোলনে রাজপথের সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন সহকর্মীরা। আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে একাধিকবার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে তার অনুসারীদের। সোহাগ সরদার বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির একজন প্রভাবশালী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে বাগেরহাট সদর থানায় দুটি মামলা হয়। এক পর্যায়ে তাকে কারাবরণও করতে হয় এবং তিনি টানা ৬৮ দিন কারাগারে ছিলেন। এছাড়া সাত দিন রিমান্ডেও থাকতে হয়েছে তাকে। তবে এসব বাধা তাকে দমাতে পারেনি বলে জানিয়েছেন তার সমর্থকরা। তাদের দাবি, ত্যাগ, আন্দোলন ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণেই বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন মোঃ সোহাগ সরদার। স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকর্মীদের একটি অংশ মনে করছেন, তরুণদের নেতৃত্বে সংগঠনকে আরও গতিশীল করতে সক্ষম হবেন তিনি। এখন দেখার বিষয়, আসন্ন কমিটিতে কতটা আস্থা রাখে দলীয় হাইকমান্ড।

NewstimesNewstimes
তৃণমূল রাজনীতি থেকে নেতৃত্বের পথে: বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি প্রার্থী মোঃ সোহাগ সরদার

রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম নেওয়ায় ছোটবেলা থেকেই রাজনীতির প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় মোঃ সোহাগ সরদারের। কৈশোর বয়সেই শহীদ প্রেসিডেন্ট Ziaur Rahman–এর আদর্শ বুকে ধারণ করে ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন তিনি। পারিবারিকভাবেই মানুষের সঙ্গে মিশে বেড়ে ওঠা সোহাগ সরদা...

নিউজ টাইমস ডেস্ক

রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম নেওয়ায় ছোটবেলা থেকেই রাজনীতির প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় মোঃ সোহাগ সরদারের। কৈশোর বয়সেই শহীদ প্রেসিডেন্ট Ziaur Rahman-এর আদর্শ বুকে ধারণ করে ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন তিনি। পারিবারিকভাবেই মানুষের সঙ্গে মিশে বেড়ে ওঠা সোহাগ সরদারের বাবা ছিলেন জনপ্রতিনিধি। ফলে শৈশব থেকেই সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গে পরিচিত হন তিনি। সেই অভিজ্ঞতাই তাকে রাজনীতিতে আরও সম্পৃক্ত করে তোলে বলে জানান স্থানীয়রা। ছাত্ররাজনীতির দীর্ঘ পথচলায় তিনি Bangladesh Jatiotabadi Chhatra Dal-এর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। খুলনা মহানগর ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার পাশাপাশি সরকারি সুন্দরবন আদর্শ কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এছাড়া সাম্প্রতিক জুলাই আন্দোলনে রাজপথের সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন সহকর্মীরা। আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে একাধিকবার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে তার অনুসারীদের। সোহাগ সরদার বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির একজন প্রভাবশালী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে বাগেরহাট সদর থানায় দুটি মামলা হয়। এক পর্যায়ে তাকে কারাবরণও করতে হয় এবং তিনি টানা ৬৮ দিন কারাগারে ছিলেন। এছাড়া সাত দিন রিমান্ডেও থাকতে হয়েছে তাকে। তবে এসব বাধা তাকে দমাতে পারেনি বলে জানিয়েছেন তার সমর্থকরা। তাদের দাবি, ত্যাগ, আন্দোলন ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণেই বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন মোঃ সোহাগ সরদার। স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকর্মীদের একটি অংশ মনে করছেন, তরুণদের নেতৃত্বে সংগঠনকে আরও গতিশীল করতে সক্ষম হবেন তিনি। এখন দেখার বিষয়, আসন্ন কমিটিতে কতটা আস্থা রাখে দলীয় হাইকমান্ড।

নিবন্ধের রেফারেন্স লিংক
নিবন্ধের রেফারেন্স লিংক/article/bh9wcNmY4VVX