গেছেন। বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা, হৃদরোগ ও হঠাৎ তৈরি হওয়া বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। সর্বশেষ মারা যাওয়া হজযাত্রী হলেন বগুড়া সদরের মো. আ. করিম (৭৪)। মক্কায় স্বাভাবিকভাবে তার মৃত্যু হয়। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণাল...
গেছেন। বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা, হৃদরোগ ও হঠাৎ তৈরি হওয়া বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। সর্বশেষ মারা যাওয়া হজযাত্রী হলেন বগুড়া সদরের মো. আ. করিম (৭৪)। মক্কায় স্বাভাবিকভাবে তার মৃত্যু হয়। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত হজ বুলেটিনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। হজ বুলেটিনের তথ্যানুযায়ী, সৌদি আরবে প্রাণ হারানো ৩১ জন বাংলাদেশির মধ্যে ২২ জন পুরুষ এবং ৯ জন নারী রয়েছেন। চলতি বছরের ২১ এপ্রিল হজে গিয়ে প্রথম এক বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু হয়। এরপর মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা বাড়তে থাকে। সর্বশেষ আজ আরো একজন হজযাত্রী শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাংলাদেশ হজ মিশন সৌদি আরবে হজযাত্রীদের স্বাস্থ্যসেবা ও জরুরি চিকিৎসা প্রদানে সার্বক্ষণিক কাজ করছে। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সৌদি আরবের নিয়ম অনুযায়ী, হজ বা ওমরাহ পালনকালে কেউ মারা গেলে মরদেহ সাধারণত সেখানেই দাফন করা হয়। মরদেহ দেশে ফেরত আনার সুযোগ খুবই সীমিত। প্রতিটি মৃত্যুর পর স্থানীয় সৌদি কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় আইনি ও ধর্মীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে। চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৯ হাজার ১৬৪ জন হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে গেছেন। গত ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রীদের প্রথম ফ্লাইট ঢাকা ছাড়ে এবং শেষ ফ্লাইটটি সৌদি আরবে পৌঁছায় ২১ মে। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে আগামী ৩০ মে থেকে হাজিদের নিয়ে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হওয়ার কথা রয়েছে, যা চলবে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত।
