গাইবান্ধায় নদ-নদীর পানি বাড়ছে, বিপদসীমার কাছাকাছি তিস্তা
গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বেড়ে বিপদসীমার মাত্র ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে জেলার যমুনা (ব্রহ্মপুত্র), ঘাঘট ও করতোয়া নদীর পানি এখনও বিপদসীমার নিচে থাকলেও গত ২৪ ঘণ্টায...
গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বেড়ে বিপদসীমার মাত্র ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে জেলার যমুনা (ব্রহ্মপুত্র), ঘাঘট ও করতোয়া নদীর পানি এখনও বিপদসীমার নিচে থাকলেও গত ২৪ ঘণ্টায় সবকটি নদীতেই পানির উচ্চতা বেড়েছে। গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল ৬টা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন নদীর পানির উচ্চতা পর্যালোচনায় এ চিত্র দেখা গেছে। তথ্য অনুযায়ী, ফুলছড়ি পয়েন্টে যমুনা (ব্রহ্মপুত্র) নদীর পানি ১৮ দশমিক ০৪ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে, যা বিপদসীমার ১ দশমিক ৩১ মিটার (১৩১ সেন্টিমিটার) নিচে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এ নদীর পানির উচ্চতা ২০ সেন্টিমিটার বেড়েছে। ঘাঘট নদীর নিউব্রিজ স্টেশনে পানির উচ্চতা ১৯ দশমিক ৮৪ মিটার, যা বিপদসীমার ১ দশমিক ৪১ মিটার (১৪১ সেন্টিমিটার) নিচে। গত ২৪ ঘণ্টায় নদীটির পানি ১৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। করতোয়া নদীর চকরহিমাপুর স্টেশনে পানির উচ্চতা ১৮ দশমিক ৮৩ মিটার, যা বিপদসীমার ৮৭ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। গত একদিনে এ নদীর পানির উচ্চতা ৬ সেন্টিমিটার বেড়েছে। অন্যদিকে, কাউনিয়া স্টেশনে তিস্তা নদীর পানির উচ্চতা ২৯ দশমিক ৩০ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। নদীটি বর্তমানে বিপদসীমার মাত্র ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় তিস্তার পানি উল্লেখযোগ্যভাবে ৪০ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে, যা জেলার বন্যা পরিস্থিতির ওপর নজরদারির গুরুত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে। এদিকে, গাইবান্ধা জেলায় গত ১৩ জুলাই সকাল ৯টা থেকে ১৪ জুলাই সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উজানের ঢল ও বৃষ্টিপাতের কারণে নদ-নদীর পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তবে বর্তমানে জেলার কোনো নদী বিপদসীমা অতিক্রম করেনি। **জোবায়দুর রহমান জুয়েল ** ** গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি :**
