লাইভ টিভি
সারাদেশ

গাইবান্ধায়  মাদক বিরোধী অভিযানে ৪জন গ্রেপ্তার

গাইবান্ধায়  মাদক বিরোধী অভিযানে ৪জন গ্রেপ্তার
গাইবান্ধায়  মাদক বিরোধী অভিযানে ৪জন গ্রেপ্তার

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার সময় মাদক কারবারিদের বাধার মুখে পড়েছে গাইবান্ধা জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ ঘটনায় ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। রবিবার (২৪ মে) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের বি...

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার সময় মাদক কারবারিদের বাধার মুখে পড়েছে গাইবান্ধা জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ ঘটনায় ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। রবিবার (২৪ মে) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালান জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক জুয়েল ইসলামের নেতৃত্বাধীন একটি টিম। অভিযান চলাকালে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী জাইদুল ও তার সহযোগীরা অভিযানে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ ওঠে।এসময় উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা মো. তামশিদ ইরাম খান উপস্থিত ছিলেন। আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন,সাপমারা ইউনিয়নের শালগাড়া গ্রামের মোস্তফার ছেলে আশিক মিয়া (২৩),একই এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে তৌহিদুল (২০),একই এলাকার শাহিন শেখের ছেলে রুবেল শেখ ও একই ইউনিয়নের কাটাখালী মোড় এলাকার মোকছেদ আলির ছেলে জাইদুল ইসলাম। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের কাটাখালী মোড় এলাকায় নিয়মিত জাইদুলের মুরগির ফার্মে গোপনে মাদক সেবন ও বিক্রি তথের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এসময় তারা মাদক সেবন করছিলেন এবং সরঞ্জামাদি হাতেনাতে পাওয়া যায়।এর এক পর্যায়ে অভিযানের সময় জবেদুলের নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যক্তি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে চার জনকে আটক করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে,জাইদুলের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। তাদের প্রত্যেকের দুই মাসের জেল একশত টাকা জরিমানা করা হয়েছে।রাতা নয়টায় তাদের কারাগারের পাঠিয়েছেন উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা মো. তামশিদ ইরাম খান। স্থানীয় নাছির বলেন,এরা নিয়মিত জাইদুলের দোকান ঘরে গোপনে মাদক সেবন ও বিক্রি করে আসছিলেন।এদের জন্য যুব সমাজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাদের আমরা উপযুক্ত শাস্তি চাই। জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রনের উপ-পরিদর্শক জুয়েল ইসলাম বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং মাদক কারবারিদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। জোবায়দুর রহমান জুয়েল গাইবান্ধা প্রতিনিধি

NewstimesNewstimes
গাইবান্ধায়  মাদক বিরোধী অভিযানে ৪জন গ্রেপ্তার

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার সময় মাদক কারবারিদের বাধার মুখে পড়েছে গাইবান্ধা জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ ঘটনায় ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। রবিবার (২৪ মে) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের বি...

নিউজ টাইমস ডেস্ক

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার সময় মাদক কারবারিদের বাধার মুখে পড়েছে গাইবান্ধা জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ ঘটনায় ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। রবিবার (২৪ মে) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালান জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক জুয়েল ইসলামের নেতৃত্বাধীন একটি টিম। অভিযান চলাকালে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী জাইদুল ও তার সহযোগীরা অভিযানে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ ওঠে।এসময় উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা মো. তামশিদ ইরাম খান উপস্থিত ছিলেন। আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন,সাপমারা ইউনিয়নের শালগাড়া গ্রামের মোস্তফার ছেলে আশিক মিয়া (২৩),একই এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে তৌহিদুল (২০),একই এলাকার শাহিন শেখের ছেলে রুবেল শেখ ও একই ইউনিয়নের কাটাখালী মোড় এলাকার মোকছেদ আলির ছেলে জাইদুল ইসলাম। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের কাটাখালী মোড় এলাকায় নিয়মিত জাইদুলের মুরগির ফার্মে গোপনে মাদক সেবন ও বিক্রি তথের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এসময় তারা মাদক সেবন করছিলেন এবং সরঞ্জামাদি হাতেনাতে পাওয়া যায়।এর এক পর্যায়ে অভিযানের সময় জবেদুলের নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যক্তি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে চার জনকে আটক করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে,জাইদুলের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। তাদের প্রত্যেকের দুই মাসের জেল একশত টাকা জরিমানা করা হয়েছে।রাতা নয়টায় তাদের কারাগারের পাঠিয়েছেন উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা মো. তামশিদ ইরাম খান। স্থানীয় নাছির বলেন,এরা নিয়মিত জাইদুলের দোকান ঘরে গোপনে মাদক সেবন ও বিক্রি করে আসছিলেন।এদের জন্য যুব সমাজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাদের আমরা উপযুক্ত শাস্তি চাই। জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রনের উপ-পরিদর্শক জুয়েল ইসলাম বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং মাদক কারবারিদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। জোবায়দুর রহমান জুয়েল গাইবান্ধা প্রতিনিধি

নিবন্ধের রেফারেন্স লিংক
নিবন্ধের রেফারেন্স লিংক/article/hNjzXB7Pw7cx